সবার আগে বাংলাদেশ
জনাব মুন্সী রফিকুল আলম মজনু ফেনী-১ আসনে (ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম) বিএনপি সমর্থিত নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও সাহসী রাজনৈতিক নেতা যিনি রাজপথের আন্দোলন, নির্যাতন ও কারাবরণের মধ্য দিয়ে নিজেকে গণতন্ত্রের একজন নির্ভরযোগ্য সৈনিক হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। পরবর্তীতে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, জুলাইয়ে ছাত্রজনতার আন্দোলনে ঢাকার রাজপথে সম্মুখসারির নেতৃত্ব প্রদান করেন। গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে ১২ বার কারাবরণ, গুমের শিকার, ২০০-র বেশি মিথ্যা মামলা ও ফ্যাসিস্ট সরকার অবৈধভাবে ১২ বছরের বেশি সাজা প্রদান করে। বর্তমানে আদালতের রায়ে সকল মিথ্যা মামলা ও সাজা থেকে ন্যায়বিচারপ্রাপ্ত।
১৯৮৯ সভাপতি- ইউনিট ছাত্রদল (তৎকালীন ৬০ নং ওয়ার্ড), ১৯৯০ সভাপতি- ৩৪ নং ওয়ার্ড (বর্তমান ১১ নং) ছাত্রদল, ১৯৯৪ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অবিভক্ত মতিঝিল থানা ছাত্রদল, ১৯৯৬ সাধারণ সম্পাদক- বৃহত্তর মতিঝিল থানা ছাত্রদল, ১৯৯৮ সভাপতি- বৃহত্তর মতিঝিল থানা ছাত্রদল, ২০০২ সাধারণ সম্পাদক- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল, ২০০৬ সভাপতি- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল, ২০১০ সাধারণ সম্পাদক- ঢাকা মহানগর যুবদল, ২০১৭ সভাপতি- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল, ২০২১ সদস্য সচিব- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি, ২০২৩ থেকে বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জুলাই আন্দোলনের সূচনা থেকেই তিনি ছিলেন সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকায়। দলের নির্দেশনা অনুযায়ী নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণকে সংগঠিত করে ঢাকার রাজপথে আন্দোলনকে শক্তিশালী করেন। আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে ২০ জুলাই ২০২৪ সালে ঢাকার রাজপথ থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ও রিমান্ডে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন। পরবর্তীতে ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার বিজয় অর্জিত হলে ৬ই আগস্ট কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন।
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই জনাব মুন্সী রফিকুল আলম মজনুর রাজনীতির মূল শক্তি ও প্রেরণা। তিনি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। দুর্যোগ ও সংকটময় সময়ে তিনি কখনো পিছিয়ে থাকেননি। করোনাকালীন মহামারীতে অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রবল শৈত্যপ্রবাহের সময় দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, ভয়াবহ বন্যাকালে মানুষকে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনে সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে তিনি জনসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মানুষের পাশে নিয়মিত সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করাই তাঁর রাজনৈতিক ও মানবিক অঙ্গীকার।
জনাব মুন্সী রফিকুল আলম মজনু ফেনী-১ এলাকার মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বন্যা থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি তিনি ফেনী-১ কে উন্নত, মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও মানবিক জনপদে রূপান্তরের অঙ্গীকার করেছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য। খাল খনন ও রাস্তা-ঘাট উন্নয়নসহ সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পাশাপাশি ফেনীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনে তিনি সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবেন। সর্বোপরি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফেনী-১ কে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূলধারায় নিয়ে আসাই তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার।
জনাব মুন্সী রফিকুল আলম মজনু ফেনী-১ এলাকার মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বন্যা থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি তিনি ফেনী-১ কে উন্নত, মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও মানবিক জনপদে রূপান্তরের অঙ্গীকার করেছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য। খাল খনন ও রাস্তা-ঘাট উন্নয়নসহ সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পাশাপাশি ফেনীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনে তিনি সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবেন। সর্বোপরি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফেনী-১ কে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূলধারায় নিয়ে আসাই তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার।
© 2025 | Developed by Next Tech